উৎপাদনের অপেক্ষায় জীবনরক্ষাকারী দেশি ৩ চিকিৎসা সামগ্রী

১৬ এপ্রিল, ২০২১ ০০:১৮  
করোনা আক্রান্ত রোগীদের সহায়তায় ক্লিনিক্যাল ট্র্যায়ালে উত্তীর্ণ হয়েছে স্থানীয়ভাবে তৈরি জীবন রক্ষাকারী ৩ ধরনের চিকিৎসাসামগ্রী। এরমধ্যে ১১টি ভেন্টিলটরের মধ্যে ৭টির প্রতিবেদন প্রস্তুত হয়েছে। এগুলো এখন বাণিজ্যিক উৎপাদনের অপেক্ষায় রয়েছে। চিকিৎসাসামগ্রীগুলো তৈরিতে অবদান রেখেছে এবং (এমআইএসটি) জিটি। এছাড়াও এই কাতারে রয়েছে বিএমএফটি, রেনেটা লিমিটেড এবং যৌথভাবে আমার সোর্স ও স্পেকট্রাম। নিজেদের উদ্ভাবনী সল্যুশন দিয়ে তৈরি ক্লিনিক্যাল ট্র্যায়েলে উত্তীর্ণ হয়েছে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনলোজির এমআইএসটি গিগাটেক ভেন্টিলেটর (মেকানিক্যাল এবং নন-ইনভেসিভ), এজ ফাউন্ডেশন, মিনিস্টার হাইটেকের অক্সিজেন কনসেনট্রেটর মেশিন এবং হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা। এছড়াও বেশ নজর কেড়েছে বুয়েটের বায়োমেডিক্যাল প্রকৌশল বিভাগের হেলমেট অক্সিজেট। এই দলে রয়েছে বুয়েটের সহযোগী অধ্যাপক ড. তাওফিক হাসান, প্রভাষক সায়্যিদুর রহমান, বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের আইসিইউ বিশেষজ্ঞ আব্দুল্লাহ আল আহমেদ,ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস ও হাসপাতালের সহযোগী রেজিস্ট্রার ড. ফুয়াদ গালিব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কাউসার আহমেদ, কায়সার আহমেদ আলমান ও ফারহান মুহিব। এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রোগ্রাম, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি (iDEA) প্রকল্প এবং বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) এর সহযোগিতায় এই উদ্যোগগুলো বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বুধবার রাতে অনলাইন ভিডিও কনফারেন্স প্ল্যাটফর্ম ‘বৈঠক’ এ স্থানীয় উদ্ভাবকদের নিয়ে মতবিনিময় সভায় অর্জনগুলো তুলে ধরা হয়। এই বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি জানান, এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রোগ্রামের “চ্যালেঞ্জ ফান্ড”-এর আওতায় চিহ্নিত এ তিনটি বিষয়ের ইনোভেটিভ সলিউশন তৈরির জন্য খুব শীঘ্রই স্থানীয় উদ্ভাবক, গবেষক, এবং উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানানোর প্রতি অগ্রসর হতে হবে এবং ইতিমধ্যে স্থানীয়ভাবে জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসাসামগ্রী তৈরির উদ্যোগগুলো অনেকটা এগিয়ে গেছে।